
বিশ্বমানের ব্যবসায় শিক্ষা খাতে ভারত আরও একবার প্রমাণ করল নিজেদের সক্ষমতা। ব্লুমবার্গের প্রকাশিত ২০২৪–২৫ এশিয়া-প্যাসিফিক বেস্ট বিজনেস স্কুল র্যাঙ্কিংয়ে ভারতের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট বেঙ্গালুরু (আইআইএম-বি) তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে। এই অর্জন শুধু ভারতের জন্য নয়, বরং গোটা এশিয়ার শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এশিয়ার শীর্ষ বিজনেস স্কুলএই র্যাঙ্কিংয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছে হংকং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এইচকেইউএসটি) এবং দ্বিতীয় হয়েছে সাংহাই ইউনিভার্সিটি অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইকোনমিকস। ভারতের আইআইএম বেঙ্গালুরু রয়েছে তৃতীয় স্থানে, যা নিঃসন্দেহে দেশটির জন্য গৌরবের বিষয়।শীর্ষ পাঁচ বিজনেস স্কুল (২০২৪–২৫):১️⃣ এইচকেইউএসটি – ৭৭.২২️⃣ সাংহাই ইউনিভার্সিটি অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইকোনমিকস – ৭৫.১৩️⃣ আইআইএম বেঙ্গালুরু – ৭৩.৬৪️⃣ সিইআইবিএস (চায়না ইউরোপ ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস স্কুল) – ৭১.৯৫️⃣ আইএসবি, হায়দরাবাদ – ৭১.৭—🇮🇳 ভারতের উত্থানতালিকার শীর্ষ ১০-এ ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর শক্তিশালী উপস্থিতি নজর কেড়েছে। আইআইএম বেঙ্গালুরু ছাড়াও ভারতের ইন্ডিয়ান স্কুল অব বিজনেস (আইএসবি), ওক্সেন ইউনিভার্সিটি, আইএমটি গাজিয়াবাদ এবং এসপি জেইন ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট শীর্ষে স্থান করে নিয়েছে।এই অর্জন ভারতের ব্যবসায় শিক্ষা খাতে বিশ্বমানের প্রভাব ও অগ্রগতির প্রতিফলন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।আইআইএম-বির সাফল্যের পেছনের কারণব্লুমবার্গ র্যাঙ্কিংয়ে আইআইএম-বির অবস্থান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়—আর্থিক সুবিধা প্রদান: ৮৮.৮শিক্ষার মান: ৮৬.০নেটওয়ার্কিং: ৮১.৬উদ্যোক্তা দক্ষতা: ৭৩.৬অর্থাৎ, শুধু পাঠ্যক্রমের মান উন্নত করাই নয়, বরং শিক্ষার্থীদের শিল্পখাতের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ এবং বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করাই তাদের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আকর্ষণবিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভারতের এই সাফল্য শুধু দেশীয় শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, বরং বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাছেও দেশটির ব্যবসায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। এতে ভারতের শিক্ষা খাত যেমন সমৃদ্ধ হবে, তেমনি দেশের অর্থনীতি ও শিল্পক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।