উত্তরবঙ্গের শান্ত, সবুজে ঘেরা শহর ঠাকুরগাঁও থেকে উঠে আসা এক তরুণ এখন অনলাইন ও অফলাইন — দুই জগতেই ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
তিনি আলভি রোহান, একজন তরুণ সমাজকর্মী, যিনি সোশ্যাল সিকিউরিটি ও জনসচেতনতা নিয়ে কাজ করছেন এবং তরুণ প্রজন্মকে সমাজের জন্য কিছু করার অনুপ্রেরণা দিচ্ছেন।
আলভি রোহানের সমাজসেবামূলক যাত্রা শুরু হয় তাঁর জন্মস্থান ঠাকুরগাঁও থেকেই।
ছোটবেলা থেকেই তিনি মানুষের পাশে থাকার মানসিকতা নিয়ে বড় হয়েছেন।নিজের এলাকার সামাজিক সমস্যা ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দেখে তাঁর মনে হয়—“পরিবর্তন আনতে হলে উদ্যোগ নিতে হবে।”
সেই চিন্তা থেকেই শুরু হয় তাঁর সোশ্যাল সিকিউরিটি ও সচেতনতা কার্যক্রম।
আলভি রোহান বিশ্বাস করেন, সমাজের উন্নয়ন সম্ভব তখনই যখন মানুষ নিজের অধিকার, নিরাপত্তা ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হবে।
তিনি নিয়মিতভাবে সোশ্যাল মিডিয়া ও স্থানীয় ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করার উদ্যোগ নেন।
তাঁর কাজের মূল বিষয়গুলো হলো:
সামাজিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রচার
অনলাইন নিরাপত্তা (Cyber Awareness)
মানসিক স্বাস্থ্য ও তরুণ সমাজের সহায়তা
স্থানীয় পর্যায়ে দরিদ্র ও শিক্ষাবঞ্চিত শিশুদের সহায়তা
তাঁর উদ্যোগে ঠাকুরগাঁওয়ে একাধিক সচেতনতা ও সহায়তা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে শতাধিক তরুণ স্বেচ্ছাসেবক অংশ নিয়েছেন।
আলভি রোহান শুধু অনলাইনে কাজ করে থেমে থাকেন না।
তিনি নিজেই মাঠে নেমে কাজ করেন — কখনো রাস্তায় জনসচেতনতা প্রচার, কখনো স্কুলে সচেতনতা সেমিনার।তাঁর মতে,
“মানুষের নিরাপত্তা মানে কেবল আইন নয়, সচেতনতা ও সহমর্মিতা।”
এই বিশ্বাস থেকেই তিনি নিয়মিত সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে যাচ্ছেন।
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তাঁর উপস্থিতি মূলত তথ্যভিত্তিক ও শিক্ষামূলক কনটেন্টের মাধ্যমে।
তাঁর পোস্ট ও ভিডিওগুলোতে দেখা যায় মানবিক চিন্তা, সামাজিক মূল্যবোধ ও ইতিবাচক জীবনদৃষ্টি।
তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি এক অনুপ্রেরণার প্রতীক—একজন, যিনি প্রযুক্তিকে ব্যবহার করছেন মানুষের কল্যাণে।
আলভি রোহানের কাজ এখন ঠাকুরগাঁওয়ের বাইরে ছড়িয়ে পড়েছে।তিনি বিভিন্ন জেলা ও অনলাইন কমিউনিটিতে তরুণদের নিয়ে “Social Awareness Movement” শুরু করেছেন, যার মূল লক্ষ্য—তরুণদের সমাজসেবায় যুক্ত করা।
তিনি দেখিয়েছেন, ছোট শহর থেকেও বড় পরিবর্তনের সূচনা করা যায়।
ভবিষ্যতে আলভি রোহান একটি জাতীয় পর্যায়ের “Social Security Awareness Network” গঠন করতে চান, যেখানে সারা বাংলাদেশের তরুণরা যুক্ত হয়ে সচেতনতা, নিরাপত্তা ও মানবাধিকারের প্রচারে কাজ করবে।তাঁর স্বপ্ন—একটি নিরাপদ, সচেতন ও সহমর্মিতাপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা।