ঘটনার বিস্তারিত
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার এক উদীয়মান তরুণ মোঃ সালেহীন হাসিব, যিনি “হাসিব” নামেই অধিক পরিচিত, বর্তমানে পড়াশোনার পাশাপাশি ডিজিটাল মার্কেটিং খাতে নিজের দক্ষতা দিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনায় এসেছেন। তিনি বর্তমানে অনার্স তৃতীয় বর্ষে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE) বিষয়ে অধ্যয়নরত।
শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি হাসিব নিয়মিতভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং ও কনটেন্ট অপ্টিমাইজেশন নিয়ে কাজ করছেন। বিশেষ করে ইউটিউব ও ফেসবুক SEO ক্ষেত্রে তার দক্ষতা তাকে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ডিজিটাল প্রোডাক্ট প্রমোশন এবং টেলিগ্রাম মার্কেটিংয়েও তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।
তার পরিচালিত টেলিগ্রাম চ্যানেল “@TrickbuzzHasibpro”-এ বর্তমানে প্রায় ২৮ হাজার সাবস্ক্রাইবার রয়েছে। এছাড়া তার টেলিগ্রাম নেটওয়ার্কে মোট অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ৭০ হাজারের কাছাকাছি বলে জানা গেছে।
অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কাজ করে তিনি মাসিক গড়ে ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করছেন, যা একজন শিক্ষার্থীর জন্য উল্লেখযোগ্য বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রেক্ষাপট
বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং বিশ্বব্যাপী একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে অনলাইন আয়ের প্রবণতা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ার বিস্তারের কারণে অনেকেই এখন দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে আয়মুখী কাজের দিকে ঝুঁকছেন।
এই প্রেক্ষাপটে ত্রিশালের মতো উপজেলা পর্যায়ের একজন শিক্ষার্থীর এমন সফলতা স্থানীয় তরুণদের জন্য নতুন দিক নির্দেশনা হিসেবে কাজ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারছে।
কাজের পরিধি ও প্রভাব
হাসিব মূলত ইউটিউব ও ফেসবুক SEO নিয়ে কাজ করে থাকেন, যা কনটেন্টকে অধিক মানুষের কাছে পৌঁছাতে সহায়তা করে। এছাড়া টেলিগ্রাম মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে তিনি একটি বড় অডিয়েন্স নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন, যা ডিজিটাল প্রোডাক্ট প্রমোশন ও তথ্য আদান-প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তার এই কার্যক্রমের মাধ্যমে শুধু ব্যক্তিগতভাবে আয়ই নয়, বরং অনেক তরুণকে অনলাইন কাজের প্রতি আগ্রহী করে তুলছে। এতে কী উপকার—এই প্রশ্নের উত্তরে বলা যায়, এটি তরুণদের বিকল্প আয়ের পথ দেখাচ্ছে এবং বেকারত্ব কমাতে সহায়ক হতে পারে।
স্থানীয়দের মতে, হাসিবের কাজের ধারাবাহিকতা এবং তার ইতিবাচক মনোভাব তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। পরিবার ও আশপাশের মানুষ তাকে একজন ভদ্র ও দায়িত্বশীল তরুণ হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন।
হাসিব বর্তমানে CSE বিষয়ে অনার্স তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত। তিনি ইউটিউব ও ফেসবুক SEO, ডিজিটাল প্রোডাক্ট প্রমোশন এবং টেলিগ্রাম মার্কেটিংয়ে কাজ করছেন। তার টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রায় ২৮ হাজার এবং মোট নেটওয়ার্কে প্রায় ৭০ হাজার অনুসারী রয়েছে। মাসিক আয় গড়ে ২৫–৫০ হাজার টাকা বলে জানা গেছে। ভবিষ্যতে তিনি নিজের কাজের পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন বলে জানা গেছে।
উপসংহার
ডিজিটাল যুগে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে কীভাবে একজন শিক্ষার্থী নিজের অবস্থান তৈরি করতে পারে, তার একটি বাস্তব উদাহরণ হয়ে উঠেছেন ত্রিশালের হাসিব। যদিও তার কাজের পরিধি আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে, তবুও তার বর্তমান সাফল্য তরুণ সমাজের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে।
প্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে এমন উদ্যোগ তরুণদের আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পথে উৎসাহিত করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
|
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ 







