সফল উদ্যোক্তা এবং নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক— এই দুই পরিচয়ের এক অনন্য মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন আবুল হোসাইন। ১৯৬৮ সালের ২৬ অক্টোবর ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করা এই বরেণ্য ব্যক্তিত্ব, গতকাল ছিল তাঁর ৫৭তম জন্মদিবস।
ব্যবসায়িক সাফল্য এবং সমাজসেবাকে যিনি এক সুতোয় গেঁথেছেন, তিনি আবুল হোসাইন— একাধারে একজন সফল উদ্যোক্তা এবং নিবেদিতপ্রাণ সমবায় সংগঠক। তিনি রূপসী বাংলা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দেশের পোশাক শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠান পোশাক উৎপাদনের পাশাপাশি চীন এবং ভারত থেকে পণ্য আমদানি ও রপ্তানি করে থাকে। এছাড়া, সারাদেশে “রূপসী বাংলা ফ্যাশন” নামে ১০টি নিজস্ব শোরুমের মাধ্যমে তারা সরাসরি ভোক্তার কাছে পণ্য পৌঁছে দিচ্ছে।
ব্যবসায়িক পরিচয়ের বাইরেও তাঁর বড় পরিচয় তিনি একজন জনদরদি ব্যক্তিত্ব। তিনি রূপসী বাংলা কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লি.-এর সভাপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়ন-এর পরিচালক হিসেবে তৃণমূল মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছেন।
আবুল হোসাইনের সুযোগ্য নেতৃত্ব ও নিরলস পরিশ্রমে সমবায় আন্দোলন এক নতুন মাত্রা পেয়েছে। তাঁর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সারাদেশে ২৬টি সমবায় সমিতি প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। এই সমিতিগুলোর মাধ্যমে প্রায় চার লক্ষ পরিবার আর্থিক সচ্ছলতা পেয়েছে এবং টেকসই জীবিকার পথ খুঁজে পেয়েছে, যা দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতিতে এক নীরব বিপ্লব।
৫৭ বছর বয়সেও কর্মস্পৃহায় অবিচল আবুল হোসাইন ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় একাধিক সমবায় সমিতি প্রতিষ্ঠা করার স্বপ্ন দেখেন। তাঁর জীবন ও কর্ম দেশের অগণিত তরুণের জন্য এক উজ্জ্বল অনুপ্রেরণার উৎস।
আবুল হোসাইনের মতো দূরদর্শী ও কর্মঠ ব্যক্তিত্বরা দেশের অমূল্য সম্পদ।